দুবাই থেকে অবৈধভাবে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন কিশোরগঞ্জের যুবক আব্দুল কাদির।
কিশোরগঞ্জের কাদির। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্
আব্দুল কাদির কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের পশ্চিম সাভিয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা। তার ৩ বছরের একটি ছেলে রয়েছে।
আব্দুল কাদির মা আম্বিয়া খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায় ১২–১৫ লাখ টাকা খরচ করে আব্দুল্লাহপুরের দালালের মাধ্যমে দুবাই থেকে গ্রিসে যাচ্ছিল। বড় নৌকায় যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দালাল চক্র তাকে ছোট নৌকায় পাঠায়। অনেক মানুষ মারা গেছে। ঝড়, ভয় এবং ভয়ঙ্কর অবস্থা—এসবের মাঝেও আব্দুল কাদির বেঁচে ফিরেছেন।’
অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু বলেন, ‘পুরো গ্রাম শোকাহত। তবে কাদিরের বেঁচে ফেরার খবর আমাদের মাঝে স্বস্তি দিয়েছে। সরকার যেন তার পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।’
অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু বলেন, ‘পুরো গ্রাম শোকাহত। তবে কাদিরের বেঁচে ফেরার খবর আমাদের মাঝে স্বস্তি দিয়েছে। সরকার যেন তার পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।’
অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলভিয়া স্নিগ্ধা জানান, তিনি বেঁচে ফেরা যুবকের বাড়িতে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাধ্যমে পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছেন। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকমে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এলাকাবাসী বলছেন, এ ঘটনায় মানবপাচারের ভয়াবহতা, দালাল চক্রের প্রতারণা এবং যুবকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ার বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাদিরের বেঁচে ফেরার গল্প শুধু আশার আলো নয়, এটি সতর্কবার্তা যে জীবন ঝুঁকিতে ফেলার আগে সবসময় নিরাপদ এবং বৈধ পথ অনুসরণ করতে হবে।

